গাছে গাছে শিমুল ফুল

বসন্তে গাছে গাছে ফুটে শিমুল ফুল।আর শিমুল ফুল মানেই লাল রঙের মেলা। ফুলে ফুলে মধু আহরণে বেড়ে যায় নানা প্রজাতির পাখির আনাগোনা। শিমুল ফুল দেখতে চমৎকার, কিন্তু সুবাস নেই।এর রং লাল।বাড়ীর আশেপাশে,রাস্তার দুই পাশে কিংবা বিভিন্ন পার্কে শিমুল ফুলের গাছ দেখতে পাওয়া যায়।প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি যেন শিমুল ফুল।নীল আকাশ আর গাছে ফোটা লাল রঙের শিমুল ফুল একসাথে দেখলে যে কেউ মুগ্ধ হয়ে যাবে। শিমুল ফুলের ইংরেজি নাম- Silk Cotton Tree। বৈজ্ঞানিক নাম - B.ceiba।Bombax গণের অন্তর্গত পাতাঝরা বৃক্ষ জাতীয় তুলা উৎপাদক উদ্ভিদ। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, মালোয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় এ গাছ প্রচুর জন্মে।লম্বায় প্রায় ১৫-২০ মিটার হয়। এর শাখা-প্রশাখা অপেক্ষাকৃত কম। সরল ও বৃত্তাকারভাবে

বাকরখানির নাম শুনলেই ইতিহাসের গন্ধ

ঢাকার খাবার-দাবারের ঐতিহ্য আর ইতিহাস বহু পুরনো ।এখনো সেই খাবারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে পুরান ঢাকা।উনিশ শতকের মাঝামাঝি ঢাকা শহরের খুব দামি এলাকা ছিল ঢাকার গেন্ডারিয়া, ওয়ারী ,নাজিরাবাজার ,লালবাগসহ বিভিন্ন এলাকা।আর সেখানে বসবাস করত নবাবরা।তাদের মুখরোচক খাবারের প্রতি ছিল দূর্বলতা।তাঁদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে ছিল বিরীয়ানী , কাবাব , মালাই চা ও বাকরখানি। নবাবরা তাদের পছন্দমতো খাবারের প্রচলন করে গেছেন।যেসব খাবার এখন পুরান ঢাকা বাসিন্দাদের পছন্দের ও প্রচলিত খাবারে পরিণত হয়েছে ।তাই বলা যায় , খাবার মানে যেন পুরান ঢাকা।আর পুরান ঢাকার প্রতিটি খাদ্যের পিছনে লুকিয়ে থাকে যেন নবাবের ঐতিহ্যের ইতিকথা ।এমনি করেই মির্জা আগা বাকির খাঁর প্রেমকাহিনী থেকে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রুটি

রুমালচোর খেলা

৯০ এর দশকে জনপ্রিয় খেলাগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে রুমালচোর।স্কুলের মাঠে,খেলার মাঠে এ খেলার প্রচলন ছিলো তখন।কয়েকজন মিলে মাঠে গোল হয়ে বসে খেলার নিয়ম মেনে খেলা হতো রুমালচোর খেলা।বর্তমানে এ খেলার তেমন প্রচলন নেই বললেই চলে। এখন ইন্টারনেট,কম্পিউটারে বন্দি থাকে সময়গুলো। রুমালচোর খেলার নিয়ম- যথারীতি সবার মধ্যে ভাগাভাগি হয়ে একজন চোর হবে। তারপর সবাই গোল হয়ে বসবে। রুমাল চোরের হাতে থাকবে একটা রুমাল। সেই রুমাল নিয়ে সে গোল হয়ে বসা অন্য খেলোয়াড়দের পেছনে ঘুরতে থাকবে। একসময় তার ইচ্ছামত একজনের পিছে রুমাল দিয়ে সে ঘুরে যদি আবার তাকে ধরতে পারে তাহলে সে হবে পরবর্তী চোর। কিন্তু যার পেছনে রুমাল রাখা হয়েছে সে যদি
কার্টুন

সবার উৎসব

আইডিয়া ও সংলাপ: মুসাররাত আবির জাহিন
অলংকরন: আনিসুল ইসলাম সামির