কালো জামের উপকারিতা

গ্রীষ্মকালের ফলের মধ্যে কালো জাম অন্যতম। এই ফলে রয়েছে অনেক ঔষধি গুণাগুণ।যা আমাদের দেহকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।জুন,জুলাই ও আগস্ট মাসে বাংলাদেশে এই ফল পাওয়া যায়। কালো জামের উপকারিতা নিম্নরূপ - ১.ডায়াবেটিস ও হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়। ২.উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে সাহায্য করে। ৩.এর সাহায্যে হজমশক্তি বৃদ্ধি ও পেটে ব্যথার উপশম হয়। ৪.মুখের দুর্গন্ধ দূর করে এবং দাঁত ও মাড়ি শক্ত করে। ৫.ক্যান্সার প্রতিরোধেও এটি সাহায্য করে। ৬.আমাদের স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও এটি ভূমিকা রাখে। দুরন্ত প্রতিনিধি - চৈতি দাস অদিতি ছবি: গুগল

গাছে গাছে শিমুল ফুল

বসন্তে গাছে গাছে ফুটে শিমুল ফুল।আর শিমুল ফুল মানেই লাল রঙের মেলা। ফুলে ফুলে মধু আহরণে বেড়ে যায় নানা প্রজাতির পাখির আনাগোনা। শিমুল ফুল দেখতে চমৎকার, কিন্তু সুবাস নেই।এর রং লাল।বাড়ীর আশেপাশে,রাস্তার দুই পাশে কিংবা বিভিন্ন পার্কে শিমুল ফুলের গাছ দেখতে পাওয়া যায়।প্রকৃতির অপরূপ সৃষ্টি যেন শিমুল ফুল।নীল আকাশ আর গাছে ফোটা লাল রঙের শিমুল ফুল একসাথে দেখলে যে কেউ মুগ্ধ হয়ে যাবে। শিমুল ফুলের ইংরেজি নাম- Silk Cotton Tree। বৈজ্ঞানিক নাম - B.ceiba।Bombax গণের অন্তর্গত পাতাঝরা বৃক্ষ জাতীয় তুলা উৎপাদক উদ্ভিদ। বাংলাদেশ, ভারত, চীন, মালোয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ায় এ গাছ প্রচুর জন্মে।লম্বায় প্রায় ১৫-২০ মিটার হয়। এর শাখা-প্রশাখা অপেক্ষাকৃত কম। সরল ও বৃত্তাকারভাবে

বাকরখানির নাম শুনলেই ইতিহাসের গন্ধ

ঢাকার খাবার-দাবারের ঐতিহ্য আর ইতিহাস বহু পুরনো ।এখনো সেই খাবারের ঐতিহ্য ধরে রেখেছে পুরান ঢাকা।উনিশ শতকের মাঝামাঝি ঢাকা শহরের খুব দামি এলাকা ছিল ঢাকার গেন্ডারিয়া, ওয়ারী ,নাজিরাবাজার ,লালবাগসহ বিভিন্ন এলাকা।আর সেখানে বসবাস করত নবাবরা।তাদের মুখরোচক খাবারের প্রতি ছিল দূর্বলতা।তাঁদের ঐতিহ্যবাহী খাবারের মধ্যে ছিল বিরীয়ানী , কাবাব , মালাই চা ও বাকরখানি। নবাবরা তাদের পছন্দমতো খাবারের প্রচলন করে গেছেন।যেসব খাবার এখন পুরান ঢাকা বাসিন্দাদের পছন্দের ও প্রচলিত খাবারে পরিণত হয়েছে ।তাই বলা যায় , খাবার মানে যেন পুরান ঢাকা।আর পুরান ঢাকার প্রতিটি খাদ্যের পিছনে লুকিয়ে থাকে যেন নবাবের ঐতিহ্যের ইতিকথা ।এমনি করেই মির্জা আগা বাকির খাঁর প্রেমকাহিনী থেকে পুরান ঢাকার ঐতিহ্যবাহী রুটি
কার্টুন

সবার উৎসব

আইডিয়া ও সংলাপ: মুসাররাত আবির জাহিন
অলংকরন: আনিসুল ইসলাম সামির